পাগলের ডায়েরির শেষ পাতা
তৃতীয় দরজা। তুমি অনেক দূর এসে পড়েছ — এখান থেকে ফেরার লোক কম।
ভিডিওতে আমি তোমাকে সেই মানুষটার গল্প বলেছিলাম — যাকে নিয়ে পুরো পাড়া হাসত। আমি গল্পটা শেষ করেছিলাম যেখানে সবাই হাততালি দেয়। কিন্তু আসল গল্প হাততালির পরে শুরু হয়।
যা ভিডিওতে বলা হয়নি
মানুষটা একটা ডায়েরি রাখত। প্রতিদিনের কাজ, হিসাব, ব্যর্থতার তালিকা — সব সাধারণ। শুধু শেষ পাতাটা আলাদা। সেখানে সে লিখেছিল, কারা কারা তাকে নিয়ে হেসেছিল — নাম ধরে ধরে। আর প্রত্যেকটা নামের পাশে একটা তারিখ। ভবিষ্যতের তারিখ।
সে সফল হওয়ার পর সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করেছিল, এত অপমান সহ্য করলেন কীভাবে। সে হেসে বলেছিল, “আমি সহ্য করিনি। আমি লিখে রেখেছি।” সবাই ভেবেছিল রসিকতা। ডায়েরিটা যে পড়েছে, সে জানে — ওই তারিখগুলোর প্রতিটাতে ঠিক কী কী ঘটেছিল।
পাগলামি আর জেদের মাঝখানে একটা সরু দেয়াল আছে। মানুষটা দেয়ালটা ভাঙেনি — দেয়ালের ওপর দিয়ে হেঁটে গেছে।
ভল্টের এই তিনটা ঘর তুমি দেখে ফেললে। কিন্তু করিডোরটা এখানে শেষ হয়নি — সিঁড়ির গল্পটা মনে আছে তো? নতুন ভিডিও মানে নতুন কোড। চোখ খোলা রেখো।