শহরের নিচে আরেকটা শহর
তুমি আবার এসেছ। ভালো। এই ঘরের মেঝেতে কান পাতো — নিচ থেকে একটা আওয়াজ আসে, খেয়াল করেছ?
ভিডিওতে আমি তোমাকে সেই শহরটার কথা বলেছিলাম, যেটার জন্য পৃথিবী হাজার বছর ধরে লড়ছে। কিন্তু আমি ইচ্ছে করেই একটা জিনিস বাদ দিয়েছিলাম। কারণ সেটা বলার জায়গা ক্যামেরার সামনে না — এখানে।
যা ভিডিওতে বলা হয়নি
যে শহরটা তুমি ম্যাপে দেখো, সেটা আসলে সবচেয়ে ওপরের স্তর। তার নিচে আরেকটা শহর আছে — পাথরের, অন্ধকারের, আর ভুলে যাওয়া নামের। প্রতিবার যখন ওপরের শহরটা ধ্বংস হয়েছে, বিজয়ীরা ধ্বংসস্তূপের ওপরেই নতুন করে গড়েছে। কেউ নিচে তাকায়নি।
একজন পুরাতত্ত্ববিদ একবার নিচে নেমেছিলেন। তাঁর নোটবুকের শেষ পাতায় একটাই লাইন লেখা ছিল — সিঁড়িটা যেখানে শেষ হওয়ার কথা, সেখানে শেষ হয়নি। নোটবুকটা পাওয়া গেছে। তাঁকে পাওয়া যায়নি।
সবাই ভাবে শহরটা দখলের লড়াই মাটির ওপরে। আমি বলি — আসল দরজাটা নিচে, আর সেটার কোনো তালা নেই। কারণ যেটা কেউ খুঁজে পায় না, সেটায় তালা লাগে না।
আজ এ পর্যন্তই। ওপরে ওঠার সময় পেছনে তাকিয়ো না — এটা নিয়ম না, অনুরোধ।